Home Blog Page 2

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতির আশঙ্কায় থাকা দরিদ্র নারীকে দেবের সহায়তা

0

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। ইতোমধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলে নেয়া হয়েছে ব্যাপক সতর্কতা। বন্ধ রাখা হয়েছে সমুদ্রে মাছ ধরা, খালি করা হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল। তবে এমন দুর্যোগে যাদের বাড়িঘর মজবুত নয় তাদের চিন্তা থেকেই যায়। এমনই একজন হলেন রাজ্যটির পশ্চিম মেদিনীপুরের সোনামুই গ্রামের বাসিন্দা শিখা চক্রবর্তী।

বাঁশের কঞ্চি, বেড়া ও মাটিলেপা ছোট একটি বাড়িতে বসবাস তার। এর আগে ‘আম্ফান’ এবং ‘বুলবুল’ শিখার মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। তাই ধাবমান ‘ইয়াস’ নিয়ে চিন্তায় তার রাতের ঘুম উধাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন সাংসদ-অভিনেতা দেব।

জানা গেছে, একাধিকবার সরকারি সাহায্য চেয়েও পাননি শিখা। সম্প্রতি স্থানীয় এক গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে করা প্রতিবেদন অনলাইনে ছড়িয়ে পরে। সেই খবর দেবের চোখে পড়তেই সোনামুই গ্রামে প্রতিনিধি পাঠান দেব। অসহায় এই নারীকে নতুন বাড়ি করে দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেবের পাঠানো প্রয়োজনীয় খাবার এবং আর্থিক অনুদান তার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ঝড়ের সময় শিখা যাতে নিরাপদে থাকতে পারেন সেজন্য একটি অস্থায়ী বাড়িরও ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন দেব। তবে সেই বাড়িতে থাকতে চান না ওই নারী।

মিথিলার জন্মদিনে চিরতারুণ্য কামনা সৃজিতের

0

স্ত্রীর জন্মদিন। কিন্তু কাঁটাতারের একপারে স্বামী, অন্যপারে স্ত্রী। কাছাকাছি পৌঁছানোর উপায় নেই। কারণ কাঁটাতারের বেড়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তালা পড়েছে। অতিমারি রুখতে ২ দেশের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব তৈরি হলেও প্রেমের টানে সৃজিত-মিথিলা কাছাকাছি।

অভিনেত্রী রাফিয়াত রাশিদ মিথিলার জন্মদিনে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় শুভেচ্ছা পাঠালেন। সঙ্গে একটি ছবিও দিলেন তিনি। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পরিবারের ৩ সদস্য ৩ ভিন্ন জায়গায় বসে একে অপরের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছেন।

মেয়ে আয়রা, সৃজিত এবং মিথিলা। তবে সেই ছবি তোলা হয়েছে মিথিলার দিক থেকে। ছবির উপরে পরিচালক জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন তার স্ত্রীকে। সঙ্গে এমন এক মানুষের কথা উল্লেখ করলেন, যার জন্মদিন আর মিথিলার জন্মদিন খুব কাছাকাছি। অনুমান করা যায়, আমেরিকার কিংবদন্তি গায়ক, সুরকার ও গীতিকার বব ডিলানের কথা বলেছেন সৃজিত।

তার জন্মদিন ২৪ মে। মিথিলার ২৫। লেখার শেষে ৩৭-এর মিথিলার জন্য চিরতারুণ্য কামনা করলেন তিনি। জন্মদিনের এক দিন আগে নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও দিয়েছেন মিথিলা। নীল জলে সাঁতার কাটছেন তিনি। সঙ্গে মেয়ে আয়রাও রয়েছে। ভিডিও’র মধ্যে জুড়ে দেয়া হয়েছে কয়েকটি ছবি। মা ও মেয়ের রসায়ন ধরা পড়েছে সেখানে।

সাংবাদিকদের দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখলেন শাকিব খান

0

সংবাদ সম্মেলনে দেরি করে আসাটা ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক শাকিব খানের বেশ পুরনো অভ্যাস। কথিত সুপারস্টারসুলভ আচরণ বজায় রাখতে নায়ক আসেন সবার শেষে। কখনো কখনো এমন হয়, সাংবাদিকরা অপেক্ষা করে চলে যান সময়ের অভাবে, অনুষ্ঠানের মধ্যমণি শাকিবের দেখা না পেয়েই।

মাঝে মধ্যেই এ কারণে বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হন শাকিবকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা কর্তৃপক্ষ। বেশিরভাগ সাংবাদিকই তাই এড়িয়ে চলেন শাকিব খানের অনুষ্ঠান।

সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (২৫ মে) বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউসে ‘লিডার : আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমার মহরত ছিল। মহরত অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল বেলা ১১টায়। সেই অনুষ্ঠান শুরু হলো প্রায় দুই ঘণ্টা দেরি করে দুপুর ১টায়।

সেখানে সিনেমাটির কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিনেমাটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা।‘অন্তরাত্মা’ সিনেমার ৫০ দিন পর আজ শুটিংয়ে ফিরলেন শাকিব খান।

আয়োজনে জানানো হয়েছে, একটানা ৩০ দিন শুটিং করা হবে এ সিনেমার। সব ঠিক থাকলে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে সিনেমাটি।‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা শবনাম বুবলী। সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য করেছেন দেলোয়ার হোসেন দিল। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন তরুণ নাট্যনির্মাতা তপু খান।

টিকটক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করায় পাকিস্তানের ওপর ক্ষেপেছেন মিয়া খলিফা

0

পর্নতারকা মিয়া খলিফার টিকটক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান। ফলে দেশটি থেকে তার টিকটক দেখা যাচ্ছে না। এ নিয়ে পাকিস্তানের ওপর বেজায় ক্ষেপেছেন মিয়া খলিফা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকটক অ্যাকাউন্ট বন্ধের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন এ পর্নতারকা। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি ভক্তদের জন্য নিজের টিকটকের ভিডিওগুলো মিয়া খলিফা টুইটারে পোস্ট করবেন।

এক টুইটে মিয়া খলিফা লিখেছেন, ‘পাকিস্তানে আমার টিকটক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করায় তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি। পাকিস্তানি ভক্তদের জন্য আমি এখন থেকে আমার সব টিকটক ভিডিও টুইটারে পোস্ট করব।

জানা গেছে, পাকিস্তানি টেলিকমিউনিকেশন অথোরিটি মিয়া খলিফার টিকটক অ্যাকাউন্ট দেশটিতে নিষিদ্ধ করেছে। বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি। তবে কয়েকদিন ধরে সেখানে ভক্তরা মিয়া খলিয়ার অ্যাকাউন্ট দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে এর আগে দুইবার পাকিস্তানে মিয়া খলিফার টিকটক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। সবশেষ গত এপ্রিলে তার অ্যাকাউন্ট আবার খুলে দেয়া হয়। এর একমাস পরই আবার তা বন্ধ করে দিল দেশটি।

মিয়া খলিফা একসময় পর্ন ইন্ড্রাস্ট্রিতে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া স্টার বলে পরিচয় দেন। টিকটকে তার দুই কোটিরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত ইনস্টাগ্রাম, টুইটারেও সক্রিয়। এছাড়া ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে তার। সেখানে খোলাখুলিভাবে নিজের জীবনযাপনের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন মিয়া খলিফা

মজাদার ম্যাঙ্গো মাস্তানির রেসিপি

0

ছোট-বড় সবারই পছন্দ আম। মিষ্টি এই ফলের চাহিদা অন্যান্যর চেয়ে অনেক বেশি। খুব কম মানুষই আছেন, যারা আম খেতে ভালবাসেন না।

গরম এলেই আম খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। তাই আমপ্রেমীদের কাছে গরমকাল স্পেশাল। কাঁচা আম থেকে শুরু করে পাকা আম দিয়ে মজাদার সব রেসিপি তৈরি করা যায়।

বিশেষ করে আমের চাটনি, আম পোড়া শরবত, ম্যাঙ্গো শেকও বেশ জনপ্রিয়। এ ছাড়াও পাকা আম দিয়ে কেক থেকে শুরু করে পুডিং এমনকি বিভিন্ন পানীয়ও তৈরি করা যায়।

তেমনই আমের এক সুস্বাদু রেসিপি হলো ম্যাঙ্গো মস্তানি। গরমে ঠান্ডা ঠান্ডা এই পানীয় একবার খেলে বারবার ইচ্ছে করবে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

প্রথমেই পাকা আমের খোসা ছড়িয়ে টুকরো করে কেটে নিন। এরপর ব্লেন্ডারে ম্যাঙ্গো পাল্প, চিনি ও দুধ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।

বেশি ঘন হয়ে গেলে প্রয়োজনে পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর গ্লাসে ঢেলে আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন।

এবার ফ্রিজ থেকে বের করে আবারো ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর গ্লাসে ঢেলে ম্যাঙ্গো আইসক্রিম আর আমন্ড কুচি উপরে ছড়িয়ে দিন। সব শেষে দিন এলাচের গুঁড়ো।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সম্পর্কে যা জানা জরুরি

0

করোনা পরে এবার ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমণ ও মৃতুর ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকটি। বাংলাদেশে ছড়িয়ে না পড়লেও, ভারতে করোনার পাশাপাশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

প্রথমেই জেনে নিন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী?

চিকিৎসা পরিভাষায় এই রোগকে চিহ্নিত করা হচ্ছে মিউকোরমাইকোসিস নামে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে শরীরে বাসা বাঁধে এই ছত্রাক। করোনা রোগীরা বেশি দিন আইসিইউ-তে থাকলে, কিংবা তাদের উপরে স্টেরয়েডের ব্যবহার বেশি হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ঢুকে পড়ছে শরীরে।

জানা গেছে, করানায় আক্রান্তরাই এখন পর্যন্ত বেশি মাত্রায় এই ছত্রাকে সংক্রমিত হয়েছেন। করোনার মতোই মুখ দিয়ে প্রবেশ করে এই ভাইরাস। তাই মুখের ভেতর জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে সবাইকে। ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসে আক্রান্তরাই ব্র্যাক ফাঙ্গাসে বেশি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

শুধু যে করোনা রোগীর শরীরেই এই রোগ বাসা বাঁধবে, তা কিন্তু নয়। এটি একটি বিরল সংক্রমণ। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে, করোনা অতিমারি ছড়ানোর আগে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ দেখা যেত এক লাখে মানুষের মধ্যে এক জনের শরীরে। এই রোগে মৃত্যুর হার যথেষ্ট বেশি। ৫০ শতাংশের কাছাকাছি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

কেন এমন ভয়াবহ হয়ে উঠছে এই ভাইরাস? এই বিষয়ে ভারতীয় নাক-কান-গলার চিকিৎসক বা ইএনটি চিরজিৎ দত্তের মতে, আমাদের মুখে প্রায় ২৫০০ জীবাণু সবসমেই থাকে। তাদের সঙ্গে আমরা খুব সহজেই মানিয়ে নিচ্ছি। যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কম; তারাই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মতো ছত্রাক সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের উপসর্গ

সাইনাস, মস্তিষ্ক আর ফুসফুসে মূলত ছড়ায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ। তবে কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যনালী, চামড়া এবং অন্যান্য অঙ্গেও এর প্রভাব পড়তে দেখা গেছে। নাকের উপরে কালো ছোপ, দেখতে অসুবিধা হওয়া, নাক বন্ধ, সর্দি সবই এই রোগের লক্ষণ।

সঙ্গে নাক দিয়ে কালচে কফ বের হয়। নাকের ভিতরের অংশ কালচে রঙের হয়ে যায়। মুখ ও গালে ব্যথা। কারও কারও ক্ষেত্রে সে সব অংশ অবশ হয়ে যায়। সংক্রমণ বেশি ছড়ালে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টও দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞের মতে, এই জাতীয় ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবারই কিছু সাধারণ নিয়ম মনে চলা উচিত।
সাধারণ কয়েকটি নিয়ম মানলেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

দিনে ২ বার ভালো করে দাঁত মাজা, ২ বার মাউথওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করা, আর মুখের ভিতর যাতে শুকিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। মুখ শুকিয়ে গেলেই অল্প করে পানি খেতে হবে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদেরকে অতিরিক্ত সচেতন হতে হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/ইন্ডিয়া টাইমস

কাঁঠাল খেলে সারবে যেসব রোগ

0

জাতীয় ফল কাঁঠাল খেতে সবাই কমবেশি পছন্দ করেন। গরম মানেই আম-কাঁঠালের সুবাস চারদিকে। কাঁঠালে আছে হাজারো পুষ্টিগুণ। জানেন কি, কাঁঠাল খেলে সারে নানা রোগ। স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো এই ফলটি।

কাঁঠালে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং নায়াসিনসহ বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান। এ ছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায়, তা মানব দেহের জন্য বিশেষ উপকারী।

শুধু পাকা কাঁঠাল নয়, কাঁচা কাঁঠাল সবজি হিসেবে রান্না করা খাওয়া হয়। ভিটামিন এবং ফাইবারে পরিপূর্ণ কাঁঠাল খাদ্য তালিকায় রাখলে, শরীরে মিলবে নানা পুষ্টি। এসব পুষ্টিগুণ শরীরের টিস্যুগুলোতে শক্তি যোগায়। জেনে নিন কাঁঠাল যেসব রোগ থেকে মুক্তি দেয়-

রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়: অনেকেই ভাবেন, কাঁঠাল খেলে হয়তো ডায়াবেটিস বেড়ে যাবে। মোটেও না, বরং এটি ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। কারণ এতে মোটামুটি কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) আছে।

যা খাদ্য খাওয়ার পরে আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ কত দ্রুত বেড়ে যায় তার পরিমাপ। কাঁঠালে থাকা ফাইবার হজমকে ধীর করে দেয় এবং রক্তে শর্করার স্পাইক প্রতিরোধে সহায়তা করে ।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কাঁঠালে কয়েকটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। যা বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায় এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলো শরীরের বিভিন্ন কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ থেকে রক্ষা করে।

ফ্রি র্যাডিকেল নামক অণু বেড়ে গেলেই শরীরে বিভিন্ন ক্ষতর সৃষ্টি হয়, সেইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। জেনে নিন কাঁঠালের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানসমূহ-

>> কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা প্রদাহ রোধে সাহায্য করে। এমনকি হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগও প্রতিরোধ করে।

>> ক্যারোটিনয়েড থাকে কাঁঠালে। এটি প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের মতো বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।

>> কাঁঠালে থাকা ফ্ল্যাভনোনসে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। যা রক্তে শর্করার, রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে এই উপাদানের গুণে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কাঁঠালে ভিটামিন এ এবং সি থাকায়, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গরমে নিয়মিত কাঁঠাল খেলে ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে।

ত্বকের সমস্যা কমায়: অনেকেই ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে থাকে। তাদের জন্য কাঁঠাল হতে পারে আদর্শ খাবার। এই ফলে ভিটামিন সি’সহ যেসব উপাদান আছে, সবই শরীরে পুষ্টি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সরবরাহ করে। এর ফলে ত্বকের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। পুষ্টিবিদদের মতে, কাঁঠাল খেলে ত্বকের বয়স কমে যায়।

হৃদরোগ প্রতিরোধ করে: কাঁঠালে থাকা পটাসিয়াম, ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস থাকায় হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এ ছাড়াও কাঁঠালে থাকা ভিটামিন বি-৬ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

গর্ভবতী মায়ের জন্য উপকারী: চিকিৎসাশাস্ত্র মতে, প্রতিদিন ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী নারী ও তার শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়। গর্ভবতী নারী কাঁঠাল খেলে তার গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়। এমনকি দুগ্ধদানকারী মা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

এ ছাড়াও, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা থেকে শুরু করে হাড় মজবুত করে কাঁঠাল। এতে থাকা খনিজ উপাদানসমূহ রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করে। সেই সঙ্গে বদহজম দূর করে, কমায় দুশ্চিন্তাও। কাঁঠালের আরও অনেক পুষ্টিগুণ আছে। তাই পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত কাঁঠাল খেলে এসব রোগ থেকে মুক্তি পাবে সহজেই।

সূত্র: হেলথলাইন

এক কুর্তি দিয়ে স্টাইল করুন ৫ ভিন্ন উপায়ে

0

গরমে চিকেনকারি পোশাকের কদর অনেক বেশি। কারণ এই কাপড়ের রংগুলো বেশ হালকা হয়ে থাকে। যা গরমের জন্য পারফেক্ট। চিকেনকারি পোশাকের সূচনা হয়েছিল ভারতে। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নূরজাহান পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন এই সূচিকর্মের পোশাক।

যুগ যুগ ধরে চিকেনকারি পোশাকের কদর একটু কমেনি। বর্তমানে সবার আলমারিতেই একটি হলেও চিকেনকারির পোশাক আছে। জানেন কি, একটি চিকেনকারি কুর্তি দিয়ে আপনি দুর্দান্ত স্টাইল করতে পারবেন। জেনে নিন কীভাবে-

>> আপনার ঘরে যদি এক রঙা সাদা বা হালকা যেকোনো রঙের কুর্তি থাকে; তবে তার সঙ্গে একটি হ্যান্ড পেইন্টেড ওড়না পরুন। ওড়নায় যদি বিভিন্ন রঙের ফুল আঁকা থাকে; তবে পুরো লুকটাই চেঞ্জ হয়ে যাবে।

চিকেন কুর্তির সঙ্গে এই ধরনের স্টাইল করে আপনি যেকোনো অনুষ্ঠানেও যোগ দিতে পারবেন। ভদ্র ও মার্জিত একটি লুক দেয় এই স্টাইল।

>> আরেকটি ফ্যাশনেবল লুক ক্রিয়েট করতে চাইলে, একটি কালারফুল ওড়না নিন। এটি গলার উপর দিয়ে সামনের দিকে ছড়িয়ে নিন। তারপর কোমড়ে একটি বেল্ট পরে নিন।

ব্যাস হয়ে গেল আরও একটি দুর্দান্ত স্টাইল। এক্ষেত্রে ওড়না অনেকটা কটির মতো দেখাবে এবং বেল্ট পরার কারণে ফিট হয়ে যাবে। টাই-ডাই ওড়নাগুলো এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন।

>> বোহেমিয়ান লুক দিতে চাইলে চিকেনকারি কুর্তির সঙ্গে একটি ডেনিম জ্যাকেট পরুন। গলায় একটি বড় মালা পরতে পারেন আর হাতে একটি বড় আংটি বা ব্রেসলেট।

>> লং শার্ট বা কুর্তির সঙ্গে কটি পরে থাকেন অনেকেই। সিকুইন কাজ করা এমন একটি কটি দিয়েও পরতে পারেন আপনার চিকেনকারি কুর্তি। পোলকি এবং কুন্দন করা কানের দুল পরলে দুর্দান্ত দেখাবে আপনাকে।

>> সবশেষে আরও একটি দুর্দান্ত উপায়ে পরতে পারেন আপনার চিকেনকারি কুর্তি। এজন্য কুর্তির উপরে একটি হাইনেক ও ফুল হাতা টি-শার্ট লাগবে। কালো হলে বেশি সুন্দর মানাবে। আর অবশ্যই এর সঙ্গে একটি চওড়া বেল্ট পরতে হবে।

এই লুক দেখলে মনে হবে, আপনি বোধ হয় স্কার্ট পরেছেন। এভাবেও চাইলে চিকেনকারি কুর্তি দিয়ে সুন্দর একটি লুক ক্রিয়েট করতে পারেন। তাহলে আর দেরি কেন, ওয়ারড্রোবে থাকা একটি কুর্তি দিয়েই স্টাইল করুন ৫টি ভিন্ন উপায়ে।

কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় চিংড়ির রেসিপি

0

কাঁচা কাঠালের যেকোনো পদই অনেক মজাদার হয়। তবে গরমে কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় না খেলে কারও তৃপ্তি মেটে না। কাঁচা কাঁঠাল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

কাঁচা কাঁঠাল বিভিন্নভাবে রান্না করা যায়। তবে এর মধ্যে এঁচোড় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এবার না স্বাদ পাল্টাতে রান্না করুন এঁচোড় চিংড়ি। খুবই সুস্বাদু আর তৈরি করাও সহজ এই পদ। জেনে নিন রেসিপি-

প্রথমে একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। একটি তেজপাতা ও এলাচ গুড়ো দিয়ে পেঁয়াজের সঙ্গে ভালো করে নেড়ে নিতে হবে। তারপর এর সঙ্গে চিংড়ি মাছ দিয়ে লালচে করে ভেজে নিন।

স্বাদ অনুযায়ী লবণ মিশিয়ে নিন। তারপর একে একে আদা ও রসুন বাটাসহ হলুদ-মরিচের গুঁড়ো, নারকেলের দুধ কোয়ার্টার কাপ দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে।

তেল যখন উপরে উঠে আসবে; তখন এর মধ্যে টুকরো করে রাখা কাঁচা কাঁঠালগুলো দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিতে হবে। হালকা আঁচে ২ মিনিট ঢেকে রান্না করুন।

এরপর আধা কাপ পানি এবং বাকি নারকেলের দুধ দিয়ে ঢেকে ২৫-৩০ মিনিট রান্না করুন। তারপর কাঁচা মরিচগুলো ভেঙে দিতে হবে।

একটি চামচ দিয়ে কাঁঠালগুলো ভেঙে ভেঙে দিতে হবে। এর ফলে কাঁঠালের স্বাদ আরও বেড়ে যাবে। পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এ ভাবেই তৈরি হবে যাবে কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় চিংড়ি। পরিবেষনের আগে পেঁয়াজ বেরেস্তা ও ধনেপাতা ছড়িয়ে নিতে পারেন।

যেভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় হাইড্রোজেন ওয়াটার

0

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পানির কোনো বিকল্প নেই। আর এই পানির মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির অপার বিস্ময়। পানির এই রহস্য ভেদ করে এতে লুকিয়ে থাকা উপাদানকে আরো শক্তিশালি করতে সুদীর্ঘ ২৫ বছর গবেষণা করেন জাপানি বিজ্ঞানী মি. তোজী নিশিদা।

তার দীর্ঘসময়ের এই গবেষণার ফল হানা এ-ক্লাস হাইড্রোজেন রিচ ওয়াটার ও গ্রিন টি। একে হেলথ কেয়ার ওয়াটারও বলা যেতে পারে। এই পানি পানের ফলে দীর্ঘজীবনও লাভ করা যায় বলে মতামত বিজ্ঞানীদের। এই পানির কেন এতো চাহিদা? এর বিশেষত্বই বা কী? হাইড্রোজেন পানি পানের ফলে সত্যি কি স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হয়?

প্রথমেই জেনে নিন হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ পানি কি? ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাসায়নিক ও জীবন বিজ্ঞান প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক স্টিফেন এস ফং বলেন, সাধারণ পানিতে হাইড্রোজেনের ঘনত্ব খুবই কম। আর হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ পানিতে গন্ধ ও স্বাদহীন হাইড্রোজেন মলিকিউলার মেশানো হয়।

তবে স্বাস্থ্যখাতে গবেষণারত প্রতিষ্ঠানগুলোও বলছেন, পানিতে হাইড্রোজেনের মতো উপাদানের সংযুক্তি মানব দেহের সুস্বাস্থ্যে আরো কার্যকরী। পাশাপাশি পানির গুণাগুণকেও বাড়িয়ে দেয় এই পানি।

এই পানি ও গ্রিন টি’তে থাকা হাইড্রোজেন আয়ন আমাদের মস্তিষ্কেও পৌঁছাতে সক্ষম, যেখানে অন্য কোনো ভিটামিন বা মিনারেল জাতীয় উপাদান সহজে পৌঁছাতে পারেন না।

ফলে শিশুদের মেধা বিকাশে এবং পূর্ণ বয়স্ক মানুষের স্মরণশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যবহারে মানবদেহের নিষ্ক্রিয় কোষগুলো ধীরে ধীরে সক্রিয় ও কর্মক্ষম হয়।

ফলে পরিপাকতন্ত্র ও শ্বসনতন্ত্র আরও ভালোভাবে কাজ করে। বিজ্ঞানের এই অত্যাশ্চর্য আবিষ্কার ন্যানো হাইড্রোজেন মাইনাস ওয়াটার সম্প্রতি বাংলাদেশেও পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশে এর একমাত্র পরিবেশক সদাগর.কম।